লজিস্টিকস খাতের জন্য সমন্বিত নীতিমালা তৈরির আহ্বান অ্যামচেমের

দেশের লজিস্টিকস খাতকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিতে সমন্বিত নীতিমালা তৈরি ও প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম)।

দেশের লজিস্টিকস খাতকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিতে সমন্বিত নীতিমালা তৈরি ও প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম)। রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। দেশের বন্দর ও লজিস্টিকস খাতের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে সরকারি-বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতা ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের অতিথি বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর দেশের ৯৬ শতাংশ বাণিজ্য ও ৯৮ শতাংশ কনটেইনার পরিচালনা করে। অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে চলতি বছরের শেষ নাগাদ জাইকা সমর্থিত জাতীয় পোর্ট নীতিমালা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ই-গেট, রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মতো ডিজিটাল উদ্ভাবন চালু হচ্ছে। বৈশ্বিক অপারেটরদের সঙ্গে একাধিক কৌশলগত প্রকল্পও এগিয়ে চলছে। আশা করি ২০৩০ সালের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য দেশকে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুত করে তুলতে পারব।’

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য অংশীদারত্বের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে এলিকট ড্রেজ এন্টারপ্রাইজের ব্যবসা উন্নয়ন পরিচালক ফিলিপ গ্রভ বলেন, ‘বাংলাদেশের লজিস্টিকস খাতে পণ্য, খরচ ও তথ্যের রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিংয়ের মতো বিভিন্ন স্থানে দৃশ্যমান উন্নয়ন জরুরি। এজন্য ক্লাউডভিত্তিক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো যেতে পারে।’

উদ্বোধনী বক্তব্যে অ্যামচেম বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ বলেন, ‘দেশের লজিস্টিকস খাত বর্তমানে ৭০ লাখেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের উৎস। পাশাপাশি জিডিপিতে প্রায় ২০ শতাংশ অবদান রাখছে। তবু এ খাত সমন্বিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। ২০২৪ সালে প্রণীত জাতীয় লজিস্টিকস নীতিমালা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।’

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন অ্যামচেম বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক চৌধুরী কায়সার মোহাম্মদ রিয়াদ ও কোষাধ্যক্ষ আল মামুন এম রাসেল।

আরও